Label » Hindu

The Forbidden Kingdom

I love travelling, especially to hills. The sight of lush-green hills, a light drizzle, cascading waterfalls and serene surroundings fill me up with an inexplicable joy. 2,067 more words

করবীর বা শর্করা শক্তিপীঠ

আদ্যাশক্তি পরমাপ্রকৃতি মায়ের লীলা কথা কে বর্ণিতে পারে ? যিনি সত্ত্ব গুনে মহাসরস্বতী, রজঃ গুনে মহালক্ষ্মী, তমঃ গুনে মহাকালী । ব্রজে কাত্যায়নী রূপে গোপিনীদের কৃষ্ণ প্রাপ্তির আশীষ দিয়েছিলেন । আবার তিনি অন্নপূর্ণা রূপে সংসার কে ভরে রেখেছেন অন্নে। দুর্গম বিপদ থেকে রক্ষা করেন সেই মা দুর্গা। বিপদত্তারিনী চণ্ডী রূপে তিনি বিপদ কে দূরে সরিয়ে দেন। তিনি সঙ্কটনাশিনী। আবার তিনি বিষ্ণুর নেত্র বাসিনী যোগমায়া । মধু আর কৈটভের কাছে আক্রান্ত হয়ে প্রজাপতি ব্রহ্মা কাতর স্মরে স্তব করেছিলেন ভগবান বিষ্ণুর যোগনিদ্রা কে । সেই মহাদেবী মোহ মায়া আদি বন্ধনের কারন। আবার সেই মহাদেবী প্রসন্না হলে মুক্তি দাত্রী রূপে বন্ধন মোচন করেন । শ্রী শ্রী চণ্ডী তাই বলেন-
তন্নাত্র বিস্ময়ঃ কার্যো যোগনিদ্রা জগৎপতেঃ । মহামায়া হরেশ্চৈতত্তয়া সংমোহ্যতে জগৎ ।।
এর অর্থ হল- সেই মহামায়াই জগৎপতি ভগবান বিষ্ণুর যোগনিদ্রা । এই শক্তি জগতের সকল জীবকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছেন । অতএব এ বিষয়ে বিস্মিত হওয়া উচিৎ না । সা বিদ্যা পরমা মুক্তের্হেতুভূতা সনাতনী । সংসারবন্ধহেতুশ্চ সৈব সর্বেশ্বরেশ্বরী ।। এর অর্থ- তিনি সংসার মুক্তির হেতুভূতা পরমা ব্রহ্মবিদ্যা রূপিনী ও সনাতনী । তিনি সংসার বন্ধনের কারন আবার তিনি ঈশ্বরের ঈশ্বরী । মহামায়ার লীলাখেলা তে এই ব্রহ্মাণ্ড গতিমান । ভগবান বিষ্ণুর চক্রে খন্ডিত হয়ে দেবী সতীর ত্রিনেত্র এসে পড়েছিল শর্করা নামক স্থানে ? এই স্থান কোথায় ? পণ্ডিত গনের মতে এই স্থান বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের আধুনিক শহর সুক্কুর বা শক্কর জেলায় । কিন্তু আসল ব্যাপার সেই স্থানে কোনো শক্তিপীঠের অস্তিত্ব মেলে নি। অনেক পণ্ডিত দের ধারনা করবীরপুর হল এই শক্তি পীঠ। কিন্তু করবীরপুর কোথায় ? কালিকাপুরান মতে ব্রহ্মাবর্তদেশের রাজধানী । ব্রহ্মাবর্তদেশ বলতে পূর্ব পাঞ্জাব কে বোঝায় । কালিকাপুরান তাই বলে । ব্রহ্মাবর্তদেশ অবস্থিত ছিল সরস্বতী ও দূষদবতী নদীর মধ্যে । করবীরপুর বলতে ভারতবর্ষের পশ্চিমে পাতিয়ালা, আম্বালা, কার্নাল অঞ্চল কে বোঝায় । কিছু পণ্ডিত দের ধারনা বর্তমান মহারাষ্ট্রের কোলহারপুরে অবস্থিত এই পীঠ। এই অঞ্চলের প্রাচীন নাম ছিল করবীর । এই শক্তিপীঠের যথার্থ স্থান অনিশ্চিত । দেবীর ত্রিনেত্র থেকে মহিষমর্দিনী দেবীর আবির্ভাব হয়। এই দেবীর ভৈরব হলেন ক্রোধীশ । মা চণ্ডী দুরাচারী মহিষাসুর কে বধ করেছেন বলে তাঁর এক নাম মহিষমর্দিনী চণ্ডী । মহিষমর্দিনী দেবী প্রচণ্ড তেজের রূপ। কেউ কেউ বলেন পাকিস্তানের করাচী তেই এই ত্রিনেত্র পড়েছিল। কিন্তু সেখানে কোনো দেবীর মন্দির নেই। হয়তো কোথাও থাকলেও থাকতে পারে গুপ্ত ভাবে । মহিষাসুরের ঘটনা সবাই জানেন। রম্ভ অসুরের পুত্র মহিষাসুর প্রজাপতি ব্রহ্মার বর দান পেয়ে ভীষন অত্যাচারী হয়ে উঠলে ত্রিদেব ও দেবতাদের তেজে তাঁর আবির্ভাব ঘটে । দেবী ও তাঁর বাহন মিলে অসুর সৈন্য, চামড়, চিখুর, বিড়ালাক্ষ, সুগ্রীব, মহাহনু ও অন্তিমে মহিষাসুরকে বধ করেন । দশভুজা দেবী বার বার অসুর দমন করতে আবির্ভূত হন। পরবর্তী কালে দেখবো তিনি ভন্ডাসুর, দারুকাসুর, দুর্গম, অরুন, গন্ধক অসুরকে কিভাবে বধ করেছেন । দেবীর এই পীঠের অস্তিত্ব প্রামান্য ভাবে না পাওয়া গেলেও দেবী কিন্তু কাল্পনিক নন । তিনি আদি, সনাতনী, ব্রহ্মময়ী । অতএব তিনি সকলের মধ্যেই শক্তি রূপে বিরাজিতা । প্রতিটি নারী হল দেবীর রূপ । ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবকে পরীক্ষা নেবার জন্য একদিন রানী রাসমণির জামাই মথুরানাথ বাবু কিছু গণিকা দের পাঠিয়েছিলেন। ঠাকুর সেই গণিকা দের মধ্যে ভবতারিনী মাকে দেখে প্রনাম করলেন । সকল নারী অন্নপূর্ণা । সুতরাং নারী জাতিকে সম্মান করাই যথাযোগ্য শক্তিপূজা । আর যে স্থানে নারীদের অমর্যাদা হয় সেই স্থান ধ্বংস করেন স্বয়ং মা নিজেই ।
( আগামী পর্বে সুগন্ধা শক্তিপীঠ থাকবে । এটি বাংলাদেশের বরিশালে অবস্থিত । আপনাদের কাছে ছবি থাকলে অবশ্যই কমেন্ট এ দিন । )

About Soktipith

Indian boy, 5, beheaded in suspected child sacrifice

Indian boy, 5, beheaded in suspected child sacrifice

Image from another incident in India a few years ago of human sacrifice.

A suspected occultist beheaded a five-year-old boy in a ritual sacrifice in northeastern India before being lynched by angry villagers, police and relatives said on Friday. 310 more words

Jinn

হিংলাজ শক্তিপীঠ, দেবী কোট্টরা (১)

ভগবান বিষ্ণুর চক্রে দেবী সতীর দেহের বিভিন্ন অংশ পবিত্র ভারতভূমির নানা প্রান্তে পতিত হয়েছিল। অন্তরীক্ষ থেকে দেবীর বিভিন্ন অংশ জলন্ত উল্কার ন্যায় ধরিত্রীর বুকে এসে পড়ছিল। কিছু স্থানে সেই অংশ মাটিতে পড়ে অনেক নীচু পর্যন্ত ডেবে যায়। সেই অংশ গুলি থেকে ভগবতী মা মহামায়ার বিভিন্ন অংশ প্রকট হচ্ছিলেন। দেবীর এই অংশগুলির ভার কিছু স্থানে ধরিত্রী মাতাও সহ্য করতে পারছিলেন না। পরবর্তী কালে দেখবো দেবীর যোনি পীঠ নীল পর্বতে পতিত হলে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ পর্বত সেই ভার সহ্য করতে না পেরে পাতালে প্রবেশ করছিল । অতঃ পর দেবতাদের প্রার্থনায় মা নিজে দয়া করে সেই তিন পর্বতকে ধারন করলেন। তিন পর্বত পাতালে আর ডেবে গেলো না। যখন দেবীর বিভিন্ন অংশ পতিত হচ্ছিল্ল – দেবতাগণ করজোড়ে দেবীর নানা স্তব স্তুতি করছিলেন । দেবীর ব্রহ্মরন্ধ্র এসে পতিত হল বালুচিস্তানের মাকরাণ নামক স্থানে । এখানে দেবী হলেন কোট্টরা আর ভৈরব হলেন ভীমলোচণ । শিবচরিত, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত, তন্ত্রচূড়ামণি মতে এই তীর্থ কে সবার উপরে স্থান দেওয়া হয়। বর্তমানে স্থানটি পাকিস্তানে । পাকিস্তানের করাচি শহর থেকে নব্বই মাইল দূরে বেলুচিস্তানের মরুভূমিতে এই তীর্থ। প্রায় সমস্ত শক্তি পীঠের মতো এই স্থানেও দেবীর অঙ্গ শিলা রূপী। মরুভূমিতে মরূদ্যানের মতোই এই তীর্থ ভক্তদের আকর্ষণ করে। মরুস্থলের চারিদিকে প্রায় চার হাজার ফুট উঁচু হিংলাজ পর্বত। তাঁর মধ্যে এই তীর্থ। এই পর্বত ভেদ করে হিঙুলা নদী বইছে । এই পীঠে যাবার রাস্তা খুব দুর্গম । কয়েকটি উষ্ণ প্রস্রবণ পার করে যেতে হয়। এখানে নদীতে গন্ধকের মাত্রা প্রচুর। এই স্থানে পানীয় জলের অভাব ও মরুঝড় এর তাণ্ডব লক্ষ্য করা যায়, তাই তীর্থ যাত্রীরা একেবারে সেই মতো তৈরী হয়ে যান । হিংলাজ পীঠ পৌছাবার আগে চন্দ্রকূপ নামক একটি উষ্ণ কুণ্ডের সামনে প্রথমে পূজো দিতে হয় । এই কূন্ডের জল ফুটতে দেখা যায়। কথিত আছে এখানে লোকে নিজের কুকর্মের কথা জানালে মা তাঁকে ক্ষমা করেন। অবশ্য মায়ের কাছে অজ্ঞাত কিছুই না। তবুও অন্যায় স্বীকার, প্রায়শ্চিত্ত এক বড় ব্রত। এতে মন শুদ্ধ হয় । দেবী হিংলাজের মন্দির একটি গুহাতে । মুসলিম গন এই দেবীকে ‘বিবি নানী’ নামে ডাকেন । ঐতিহাসিক দের মতে প্রাচীন কুষান যুগে কুষান দের মুদ্রায় ‘ননদেবী’ নামক এক দেবীর মূর্তি অঙ্কিত থাকতো। ঐতিহাসিক বিচারে সেই দেবী হলেন হিংলাজ । হিংলাজ পর্বতের নীচের দিকে একটি সুরঙ্গ আছে । বিশ্বাস ঐ সুরঙ্গ যোণিস্বরূপ । এবং সেখান দিয়ে যা নিয়ে যাওয়া হয়- তাই প্রসাদ হয়ে যায় । এখানে অনেক পশু বলি হয় । এই দেবীকে ‘মরী’ নামেও ডাকা হয় । এখানে একটি কূয়ো আছে। বগ্ বগ্ করে যার থেকে শব্দ বের হয় । এখানে ভক্তেরা সুপারী, এলাচ, লবঙ্গ, নারিকেল অর্পণ করেন । বলা হয় এই পীঠে দেবী জ্যোতি রূপে বিরাজিতা। ভূগর্ভ থেকে সত্যই আগুনের শিখা ওঠে । এখানে ভগবান শঙ্কর , ভীমলোচণ ভৈরব রূপে আছেন। অভিনব গুপ্তের ‘তন্ত্রালোক’ এর মতে ভৈরব শব্দের উৎপত্তি ‘ভিয়ে’ অর্থাৎ অধম অধিকারীর ভয়ের নিমিত্ত ( রবো যা সাং তা ভীরবাঃ ) থেকে । পরম শিব তাঁদের স্বামী- তাই তাঁর নাম ভৈরব । তিনি সুখ দুঃখতে ভরা সংসার থেকে মুক্তি দান করেন বলে তাঁর নাম মহাভীম বা ভীষণ । এই দেবীর পূজাতে প্রধান উপকরণ হল সিঁদুর ও শুকনো ফল। মন্দিরের সামনে পূজো দেবার ডালা কিনতে পাওয়া যায় না। তাই দূর থেকে নিয়ে আসতে হয় । মা হিংলাজ রক্তকরবীর পুস্প খুব ভালোবাসেন । এখানে বালি ভূমিতেও রক্তকরবীর গাছ দেখতে পাওয়া যায় । আসুন আমরা ভগবতী হিংলাজ কোট্টরা মাকে প্রনাম করি এই দূর থেকে । জানিনা মা কখনো সেখানে যাওয়ার সুযোগ দেবেন কিনা! মা সর্বত্র বিরাজমানা । তাই এখানে বসেই জগৎজননী কে প্রনাম জানিয়ে বলি “ রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো দেহি” । মা রূপ দাও, যশ দাও, জয় দাও,শত্রু নাশের শক্তি দাও । হেভগবতী তুমি গতি। ( আগামী পর্বে থাকবে করবী শক্তিপীঠ )

About Soktipith

Discrimination against minority community: Who is outsider?

A recent media report about a young Muslim woman denied accommodation by a housing society in Mumbai reveals our society’s deep prejudice against minorities especially the Muslims. 305 more words

Recent Developments