Label » Ibadat

Journey Maker

ਰਸਤੇ ਸ਼ੁਰੂ ਹੁੰਦੇ ਨੇ ਹਰ ਦਰ ਤੇ ਹਰ ਪੈਰ ਤੋਂ,
ਦਰਵਾਜ਼ੇ ਖੁਲੇ ਰਹਿੰਦੇ ਨੇ, ਕਿਸੇ ਦੂਰ ਗਏ ਦੀ ਉਡੀਕ ਤੋਂ,
ਹਰ ਮੰਜ਼ਿਲ ਤੇਰੀ ਹਾਣੀਆ, ਹਰ ਸਫਰ ਤੇਰਾ ਹਾਣੀਆ,
ਇਕ ਬਲਦੀ ਜਿਹੀ ਮਸ਼ਾਲ ਹੈ,
ਫ਼ਕੀਰ ਤੂੰ ਮੇਰੀ ਇਬਾਦਤ ਦਾ, ਨਾ ਡਰ ਕਿਸੇ ਅੰਜਾਮ ਤੋਂ,ਉਸ ਪਾੱਸੇਓ ਆਉਂਦੀ ਹਵਾ ਤੋਂ, ਕੁਝ ਅਸਾਂ ਉਧੇੜ ਲੇਨੇ ਹਾਂ,
ਧਾਗੇ ਉਸ ਕਹਾਣੀ ਦੇ, ਜੋ ਮੜੀਆਂ ਤੇ ਬਲਦੇ ਦੀਵੇ ਨੇ,
ਸਾਡੀ ਸਧਰਾਂ ਦੀ ਮਹਿਕ ਨੂੰ, ਸਾਡੀ ਤ੍ਰਕਲੇਆਂ ਦੀ ਘੂਕ ਨੂੰ,
ਲਫ਼ਜ਼ ਹਜ਼ਾਰਾਂ ਚੁੱਪ ਨੇ, ਬੋੜ੍ਹ ਦੇ ਬੁੱਡੇ ਰੁੱਖ ਨੇ,

ਇਹ ਕਾਫ਼ਿਲੇ ਤੁਰਦੇ ਇੱਕ ਚੰਨ ਦੀ ਲੋਏ,
ਤਾਰਿਆਂ ਦੀ ਛਾਵੇਂ, ਬਣ ਉਡੀਕਾਂ ਦੇ ਸਿਰਨਾਮੇਂ,
ਮੁੜ ਆਉਣਾ, ਨਾ ਆਉਣਾ, ਲੱਖਾਂ ਪੁੱਲ ਪਏ ਨੇ ਵਾਧੇ ਕੱਚੇ,
ਫ਼ਕੀਰ ਤੂੰ ਮੇਰੀ ਇਬਾਦਤ ਦਾ, ਨਾ ਡਰ ਕਿਸੇ ਅੰਜਾਮ ਤੋਂ,
ਰਸਤੇ ਸ਼ੁਰੂ ਹੁੰਦੇ ਨੇ ਹਰ ਦਰ ਤੇ ਹਰ ਪੈਰ ਤੋਂ………..
________________________________________

________________________________________

ਇੱਕ ਕਲਮ, ਇੱਕ ਸਿਆਹੀ, ਇੱਕ ਬੇਗਾਨਾ ਸੱਫਾ,
ਅੱਜ ਕਿਹੜੇ ਫ਼ਰਹਾਨ ਦੀ ਗੁਲਾਮ ਮੈਂ, ਹੋ ਤੇਰੇ ਤੋਂ ਖ਼ਫ਼ਾ,

ਇਕ ਸਿਤਮਗਰ ਮੇਰੀ ਮਹਿਫ਼ਿਲ ਦਾ ਚੁੱਪ ਵੇ,
ਦੂਜਾ ਰਹਿਮਤ ਉਸ ਮੌਲਾ ਦੀ ਕਿਉਂ ਬੇ-ਆਵਾਜ਼ ਹੈ,

ਦੋ ਘੜੀਆਂ ਤੱਕ, ਫਿਰ ਰੁੜ੍ਹ ਜਾਣਾ,

ਇੱਕ ਕਲਮ, ਇੱਕ ਸਿਆਹੀ, ਇੱਕ ਬੇਗਾਨਾ ਸੱਫਾ|

__________________________________________

__________________________________________

ਇੱਕ ਹੋਰ ਮਿਨਾਰਾ ਢਹਿ ਚੱਲਿਆ,
ਫ਼ਰਿਆਦਾਂ ਦੀ ਬੋਝੀ ਪੈ ਚੱਲਿਆ,
ਰਾਖ ਦੀ ਇਸ ਰੇਤ ਵਿੱਚ,
ਇੱਕ ਹੋਰ ਪਰਵਾਨਾ ਮਿਲ ਚੱਲਿਆ|

ਰੁੜ ਚੁੱਕੀ ਸੀ ਜੋ ਹੰਜੂਆਂ ਦੀ ਵਾੜ ਨਾਲ,
ਉਹ ਬਾਂਸੁਰੀ ਕਿਵੇਂ ਗਾਉਂਦੀ ਹੈ,
ਗੀਤ ਉਸ ਫਰਿਆਦ ਦੇ,
ਜਿਸਦੀ ਉਮਰਾਂ ਤੋਂ ਵੱਧ ਮੁਰਾਦ ਏ|

ਤਪਦੀਆਂ ਬਲਦੀਆਂ ਰਾਹਾਂ ਤੇ,
ਜੋ ਸੱਚ ਦੇ ਰਬਾਬ ਗਾ ਚੱਲਿਆ,
ਮਸਤ ਇਹ ਇਸ਼ਕ ਹਕੀਕੀ ਦਾ,

ਮਰ ਮਰ ਲੱਖਾਂ ਸਾਹ ਕਮਾ ਚੱਲਿਆ|

__________________________________________

__________________________________________

Maniac Thoughts

Keindahan Interior Gereja Katedral Jakarta melalui Postcard

Bangunan tua dengan menara runcing menjulang tinggi di kawasan Lapangan Banteng itu kelihatan mencolok. Gereja Katolik Santa Maria Pelindung Diangkat ke Surga atau lebih dikenal dengan Gereja Katedral Jakarta inilah bangunan tua tersebut. 128 more words

Si Pandir

Orang pandir itu bertanya di mana bulan dan kalau ada orang yang menunjukkannya pake’ telunjuk, yang dilihat orang pandir itu adalah telunjuknya. Begitulah. Ketika si pandir ini disebut pandir, ia berdalih dan menyerang orang yang menunjukkan bulan kepadanya telah menistakan jari-jari tangan bahkan badannya juga!  420 more words

Daily Reflection

Antara Mimpi dan Kenyataan

Kemarin dipakai judul Antara Angan dan Harapan. Hari ini dipakai judul Antara Mimpi dan Kenyataan. Apakah ‘angan’ itu paralel dengan ‘mimpi’ dan ‘harapan’ itu paralel dengan ‘kenyataan’? 483 more words

Daily Reflection

দ্বীনের ভিতরে মধ্যম পন্থা বলতে কি বুঝায়

দ্বীনের ভিতরে মধ্যম পন্থা বলতে কি বুঝায় !!!

দ্বীনের ভিতরে মধ্যম পন্থা বলতে কি বুঝায়?

দ্বীনের ভিতরে মধ্যম পন্থা অবলম্বনের অর্থ এই যে, মানুষ দ্বীনের মধ্যে কোন কিছু বাড়াবে না। যাতে সে আল্লাহর নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ফেলে। এমনিভাবে দ্বীনের কোন অংশ কমাবে না। যাতে সে আল্লাহর নির্ধারিত দ্বীনের কিছু অংশ বিলুপ্ত করে দেয়।

বিবিধ-প্রসঙ্গ

নিয়তের বিশুদ্ধতা

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته

আসসালামু আলাইকুম ওয়রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ

💜নিয়তের বিশুদ্ধতা💜
♨♨♨♨♨♨♨♨

🌹উদ্দেশ্যে সততা ও একনিষ্ঠতা🌹
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥

⭕ হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বলেছেন, নিয়ত বা উদ্দেশ্যের উপরই সব কাজ নির্ভরশীল। মানুষ যা নিয়ত করে, তাই পায়। যেমন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের উদ্দেশ্যে হিজরত করবে, তার হিজরতই হবে প্রকৃত হিজরত। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার কোন স্বার্থ অর্জন কিংবা কোন মহিলাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হিজরত করবে, তার হিজরত পরিগণিত হবে দুনিয়ার জন্য কিংবা সংশ্লিষ্ট নারীর জন্য কৃত হিজরত হিসাবে। 📚(বোখারী, মুসলিম)

💚💚💚মানুষের চিন্তা ও কর্মের পরিশুদ্ধি ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ হাদীস। রাসূল (সা) এর এ হাদীসের মর্ম এই যে, যে কোন সৎ কাজই করা হোক না কেন, তা কী উদ্দেশ্যে ও কোন নিয়তে করা হয়েছে, তার ভিত্তিতেই তার পরিণাম ও প্রতিদান নির্ণীত হবে। যদি উদ্দেশ্য সৎ থেকে থাকে, তবে তার সওয়াব পাওয়া যাবে, নচেৎ সওয়াব পাওয়া যাবে না। কোন কাজ দেখতে যতই পুণ্যের কাজ মনে হোক, আখিরাত তার প্রতিদান কেবল তখনই পাওয়া যাবে, যখন তা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা হবে। এই কাজের পেছনে যদি কোন দুনিয়াবি স্বার্থসিদ্ধির ইচ্ছা কার্যকর থেকে থাকে, যদি তা কোন পার্থিব স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষে করা হয়ে থাকে, তবে পরকালের বাজারে তার কোন দাম থাকবে না। সেখানে ঐ কাজ অচল মুদ্রা হিসাবে গণ্য হবে। এ কথাটাকে তিনি হিজরতের উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন। হিজরত কত বড় ত্যাগ ও পুণ্যের কাজ, মানুষে নিজের ঘরবাড়ী, সহায় সম্পদ ও জন্মভূমি চিরদিনের জন্য ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যায়। কিন্তু এত বড় ত্যাগও পুণ্যের এই কাজটিও আদৌ পুণ্যের কাজ হিসাবেই গৃহীত হবে না এবং এ কাজের কোন সওয়াবই পাওয়া যাবে না যদি মানুষ তা আল্লাহ ও রাসূলের জন্য না করে। বরং নিছক নিজের দুনিয়াবি স্বার্থ ও সুবিধা লাভের জন্য করে। এতে বরঞ্চ সে প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির দায়ে অভিযুক্ত হবে। কারণ সে নিজেকে আল্লাহর জন্য হিজরতকারী হিসাবে চিহ্নিত করে মুসলমানদের সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধোঁকা দিয়ে পার্থিব সুযোগ সুবিধা যথা খাদ্য ও আশ্রয় ইত্যাদি লাভ করেছে। অথচ আসলে সে আল্লাহর উদ্দেশ্যে হিজরত করেনি!

⭕হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেনঃ আল্লাহ তোমাদের আকৃতি, চেহারা ও ধনসম্পদ দেখবেন না। তিনি দেখবেন তোমাদের মন ও আমলকে। 📚(মুসলিম)

⭕ হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে আরো বর্ণিত। রাসূল (সা) বলেছেনঃ কেয়ামতের দিন সর্ব প্রথম এমন এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে, যে শহীদ হয়েছিল। তাকে আল্লাহর আদালতে হাজির করা হবে। আল্লাহ তায়ালা তাকে দেয়া নেয়ামতগুলো স্মরণ করিয়ে দেবেন। যাবতীয় নেয়ামতের কথা তার মনে পড়বে। তখন তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তুমি আমার নেয়ামতগুলো পেয়ে কি কাজ করছ? সে বলবেঃ আমি তোমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য(তোমার দ্বীনের বিরুদ্ধে লড়াইতে লিপ্তদের সাথে) যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি যে বললে আমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করেছি এ কথা ভুল বলেছ। তুমি যুদ্ধ করেছ শুধু এ জন্য যে, লোকেরা তোমাকে বীর ও সাহসী বলবে। সেটা বলাও হয়েছে এবং দুনিয়াতেই তুমি তার প্রতিদান পেয়ে গেছে। অতঃপর হুকুম দেয়া হবে যে, এই স্বকথিত শহীদ কে মুখ নীচের দিকে দিয়ে টেনে নিয়ে যাও এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ কর। তৎক্ষণাৎ তাকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

এরপর দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি আসবে আল্লাহর আদালতে। সে ছিল ইসলামের বিশিষ্ট পণ্ডিত তথা আলেম, শিক্ষক ও কোরআন অধ্যয়নকারী। তাকে আল্লাহ তাঁর দেয়া নেয়ামতগুলো স্মরণ করিয়ে দেবেন। লোকটির যাবতীয় নেয়ামতের কথা মনে পড়বে। তখন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন এতসব নেয়ামত পেয়ে তুমি কি কাজ করেছ?সে বলবে, হে আল্লাহ, আমি তোমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই তোমার দ্বীন শিখেছি। তোমারই সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তা অন্যকেও শিখিয়েছি এবং তোমারই জন্য কোরআন পড়েছি। আল্লাহ তায়ালা বলবেন তুমি মিথ্যে বলছ। তুমি তো কেবল এ জন্য ইসলামের জ্ঞান অর্জন করেছ যেন লোকেরা তোমাকে একজন আলেম বলে। আর কোরআন তুমি এজন্য শিখেছ, যেন জনগণ তোমাকে কোরআনের জ্ঞানী বলে। তোমার এ আশা দুনিয়াতেই মিটে গেছে এবং লোকে তোমাকে আলেম ও ক্বারি বলেছে। এরপর হুকুম দেয়া হবে যে, ওকে মুখ নীচের দিকে দিয়ে টানতে টানতে নিয়ে যাও এবং জাহান্নামে ফেলে দাও। তৎক্ষণাৎ তাকে টেনে নিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তৃতীয় ব্যক্তি হবে দুনিয়ার সেই ধনাঢ্য ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ বিপুল প্রাচুর্য ও রকমারি অঢেল সম্পদ দান করেছেন। তাকে হাজির করার পর আল্লাহ তাকে দেয়া নেয়ামতের কথা স্মরণ করাবেন। সকল নেয়ামতের কথা তার মনে পড়বে এবং সে স্বীকার করবে যে, এ সকল নেয়ামত তাকে দেয়া হয়েছিল। এরপর তার প্রতিপালক তাকে জিজ্ঞেস করবেন, আমার নেয়ামতগুলো পেয়ে তুমি কি করেছ? সে বলবে, যে সব খাতে খরচ তুমি পছন্দ কর, সেই সব খাতে তোমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে খরচ করেছি। আল্লাহ তায়ালা বলবেন, তুমি মিথ্যে বলছ। তুমি সমস্ত সম্পদ এজন্য দান করেছিলে যেন লোকে তোমাকে দানশীল বলে। এ উপাধি তুমি দুনিয়াতেই পেয়ে গেছ। এরপর আদেশ দেয়া হবে যে, ওকে মুখ নীচের দিকে দিয়ে টেনে নিয়ে আগুনে ছুড়ে মারো। তাকে তৎক্ষণাৎ আগুনে ফেলে দেয়া হবে।
📚(মুসলিম)

💙💙💙ব্যাখ্যা: এই তিনটি হাদীস যে বিষয়টি তুলে ধরেছে, তা হলোঃ আখিরাতে কোন সৎকাজে বাহ্যিক রূপ ও আকৃতি দেখে পুরস্কার বা প্রতিদান দেয়া হবে না। সেখানে শুধু সেই কাজই সওয়াবের যোগ্য বিবেচিত হবে, যা কেবল মাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়েছে। যত বড় নেক কাজই হোক, তা যদি এ উদ্দেশ্যে করা হয় যে, সমাজের লোকেরা তাতে খুশী হবে কিংবা জনগণের চোখে তার মর্যাদা বাড়বে, তাহলে আল্লাহ তায়ালার চোখে তার কোন মর্যাদা থাকবেনা। আখিরাতের বাজারে এ ধরনের পণ্যের কোন মূল্য হবে না। আল্লাহর দাঁড়িপাল্লায় এ ধরনের নেক আমল অচল ও নকল পণ্য বিবেচিত হবে। এ ধরনের লোক দেখানো ঈমানও সেখানে কাজে আসবে না।

💜💜💜সুতরাং আমাদেরকে এই লোক দেখানো ও খ্যাতি অর্জনের সর্বনাশা মানসিকতা থেকে সতর্ক ও হুশিয়ার থাকতে হবে। নচেৎ আমাদের অজান্তেই আমাদের যাবতীয় চেষ্টা সাধনা ও শ্রম বরবাদ হয়ে যাবে। শুধু যে বরবাদ হবে তাই নয়। কেয়ামতের ময়দানে হাজির হবার আগে এই বরবাদ হওয়ার কথা ঘুণাক্ষরেও জানা যাবে না। সেই ময়দানে মানুষ প্রতিটি আমলের প্রয়োজন অত্যন্ত তীব্রভাবে অনুভব করবে, চাই তা যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন।

{সৌজন্যেঃ তাইয়েবা আক্তার}

ইবাদাত

The Etiquette for Allah’s Remembrance (Dhikr)

​Courtesy of ZamZamacademy.com

There are 26 points mentioned by Imam Sha’rani

in his book Adab al-Suhba to observe when

making dhikr of Allah.

Pre-dhikr

1. Make sincere repentance… 186 more words

Islam